ইবাদত-তাইজুলে বাংলাদেশের দাপট

স্পোর্টস ডেস্ক :
আগে ব্যাট করে জিম্বাবুয়েকে বড় লক্ষ্য দিতে পারেনি বাংলাদেশ। জিততে হলে তাই দায়িত্ব নিতে হবে বোলারদেরই। সেই লক্ষ্যে শুরুটা ভালো এনে দিলেন হাসান মাহমুদ। রান তাড়া করতে নামা জিম্বাবুয়েকে প্রথম ধাক্কা দিলেন এই পেসার।

জিম্বাবুয়ের ওপেনার কাইতানোকে ফিরিয়ে দিলেন হাসান। এর পর মেহেদী হাসান মিরাজ তুলে নিলেন আরেক ওপেনার মারুমানির উইকেট। এর কিছুক্ষণ পর ইবাদত তুলে নেন জিম্বাবুয়ের আরো দুই উইকেট তুলে নেন। এরপর জোড়া উইকেট নিয়েছেন তাইজুল। দ্রুত উইকেট নিয়ে জিম্বাবুয়েকে চাপে ফেলেছে বাংলাদেশ।

আজ বুধবার সিরিজের তৃতীয় ওয়ানডেতে আগে ব্যাট করতে নেমে নির্ধারিত ৫০ ওভারে ৯ উইকেটে স্কোরবোর্ডে ২৫৬ রান তুলেছে তামিম ইকবালের দল। ব্যাট হাতে সর্বোচ্চ ৮১ বলে ৮৫রান করেন আফিফ হোসেন। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ৭৬ রান করেছেন এনামুল হক বিজয়। ৭১ বলে তাঁর ইনিংসে ছিল ৬টি বাউন্ডারি ও ৪টি ছক্কা।

হারারের স্পোর্টস ক্লাব মাঠে এই ম্যাচেও টসে হারে বাংলাদেশ। আগে ব্যাট করতে নেমে শুরুটা বেশ সতর্কই করেন দুই ওপেনার তামিম ইকবাল ও এনামুল হক বিজয়।

কিন্তু দুজন মিলে পারলেন না জুটি বড় করতে। রান আউট হয়ে তামিম ফিরলে ভাঙে ওপেনিং জুটি। ৩০ বলে ৩ চারে ১৯ রান করে বিদায় নেন বাংলাদেশ অধিনায়ক।

তামিম ফেরার পরপর আরো দুটি ধাক্কা খায় বাংলাদেশ। এক ওভারেই হারায় নাজমুল হোসেন শান্ত ও মুশফিকুর রহিমের উইকেট। দশম ওভারে পেসার ব্র্যাড ইভান্সের শর্ট বল লাফিয়ে উঠে কাট করতে গিয়ে ধরা পড়েন শান্ত। গোল্ডেন ডাকেই সাজঘরের পথে হাঁটেন তিনি।

একই ওভারে মুশফিকও শর্ট বল আপার কাট করেন। বল হাওয়ায় ভেসে যেতে থাকে বাউন্ডারির দিকে। কিন্তু থার্ডম্যান থেকে অনেকটা দৌড়ে এসে দারুণ ক্যাচ নিয়ে মুশফিককে থামিয়ে দেন এনগারাভা। মুশফিকও রানের খাতা খুলতে পারেননি।

দ্রুত তিন টপ অর্ডারের বিদায়ে চাপে পড়ে যায় বাংলাদেশ। সেখান থেকে উদ্ধার করতে কিছুটা লড়াই করেন এনামুল হক বিজয়। তাঁকে সঙ্গ দেন মাহমুদউল্লাহ। এই জুটিতে বাংলাদেশ পায় ৯০ বলে ৭৭ রান।

২৫তম ওভারে এই জুটি ভাঙে জিম্বাবুয়ে। ডানহাতি পেসার লুক জঙ্গুয়ের অফ স্টাম্পের বাইরের বলটি এনামুলের ব্যাটের কানা ছুঁয়ে কিপারের গ্লাভসে চলে যায়। ৭১ বলে ৬ চার ও ৪ ছক্কায় ৭৬ রানে শেষ হয় তাঁর ইনিংস।

এনামুল ফেরার পর শুধু হতাশাই দেখেছে বাংলাদেশ। উইকেটে টিকে থেকে ডট বলের মহড়ায় চাপ বাড়িয়েছেন মাহমুদউল্লাহ। মাত্র ৩৯ রান করতে তিনি খেলেছেন ৬৯টি ডট বল।

মাহমুদউল্লাহ ফেরার পর শেষ দিকে বাকিদের নিয়ে কোনো মতে বাংলাদেশকে ২৫৬ রানের পুঁজি এনে দেন আফিফ হোসেন। ৮১ বলে ৬ বাউন্ডারি আর ২ ছক্কায় ৮৫ রানের ইনিংস খেলেন তিনি। মাঝে ব্যাটিংয়ে নেমে সুবিধা করতে পারেননি মেহেদী হাসান মিরাজও। এই অফ স্পিনারের ব্যাট থেকে এসেছে ২৪ বলে ১৪ রান।

এটিভি বাংলা / হৃদয়


Posted

in

by

Tags:

Comments

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *