কোরবানীর পশুর চাহিদা মেটাতে প্রস্তত রাজধানীর হাট

ডেস্ক রিপোর্ট:

ঈদের আর বাকি আটদিন। রাজধানীর হাটগুলোতে নেওয়া হয়েছে সর্বোচ্চ প্রস্তুতি। তবে গেট তৈরি, বাঁশের সারি দিয়ে স্থান নির্ধারণ করা হলেও এখনো পশু আসা শুরু হয়নি। গাবতলীর হাটে বিভিন্ন এলাকা থেকে ট্রাকে ট্রাকে পশু এলেও এখনো জমে ওঠেনি। তবে রাজধানীর আশাপাশের খামারগুলোতে ভিড় জমাচ্ছে ক্রেতারা।

আজ শনিবার রাজধানীর বাজারগুলো খোঁজ নিয়ে জানা যায়, কোরবানির পশুর জন্য শেড নানা রঙের ত্রিপলে সাজানো হয়েছে। ধোয়া-মোছার কাজও চলছে। সাজানো হয়েছে আকর্ষণীয় ডিজাইনের প্রধান ফটক। বসানো হয়েছে ওয়াচ টাওয়ার, নিরাপত্তার জন্য পুলিশ ও র‌্যাবের জন্যও উঁচু ওয়াচ টাওয়ার। তবে এখনো ব্যাংক, বিকাশ, রকেটের জন্যও বুথ ঘর তৈরি হয়নি।

ঈদের ১০-১৫ দিন আগেই রাজধানী ঢাকাসহ সারা দেশের স্থায়ী ও অস্থায়ী পশুর হাটগুলো সাজানোর প্রস্তুতি নেন ইজারাদাররা। গাবতলী স্থায়ী পশুর হাটের পাশে অস্থায়ী হাটের প্রস্তুতিও শেষ পর্যায়ে। পশু ব্যবসায়ীরা বলছেন, প্রস্তুতি থাকলেও অস্থায়ী হাটে নেই কোরবানির পর্যাপ্ত পশু। আর স্থায়ী হাটে পর্যাপ্ত পশু থাকলেও ক্রেতাদের ভিড় শুরু হয়নি। ব্যবসায়ীদের আশা, আগামী মঙ্গলবার-বুধবার নাগাদ জমে উঠবে পশুর হাট। তখন ক্রেতাদের চাহিদা হাটে উঠবে কোরবানির পশু। এবার বাড়তি দামের আশা তাদের।

রাজধানীর পশুর হাটগুলোর আশপাশে মারাত্মক যানজট। এর মধ্যে গরু নিয়ে ছোটাছুটি চলছে। এ কারণে পশুর হাট এলাকার সড়কগুলোয় চলাচলে সীমাহীন দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। রাজধানী গাবতলী, বছিলা, হাজারীবাগ, ইসলামবাগ, উত্তরা, কাওলা হাট ঘুরে শনিবার দেখা গেছে, মানুষের উপচেপড়া ভিড়। প্রচণ্ড গরমের মধ্যে হাটে চলাচলে স্বাস্থ্যবিধি উপেক্ষিত হচ্ছে। যদিও ইজারাদারদের পক্ষ থেকে মাইকিং করে সবাইকে সতর্ক করা হচ্ছে। সিটি করপোরেশনের পক্ষ থেকে স্বেচ্ছাসেবীরা যাদের মুখে মাস্ক নেই, তাদের মাস্ক দিয়েছেন। তবুও শেষমেশ মানুষের মুখে মাস্ক থাকছে না। কারণ হিসাবে তারা বলছেন, প্রচণ্ড গরমের মধ্যে তারা মুখে মাস্ক রাখতে পারছেন না। ধোলাইখাল, বছিলা, কাফরুল, গাবতলী হাট সীমানা পেরিয়ে বহুদূর পর্যন্ত বিস্তৃত হয়েছে।

গাবতলীর স্থায়ী পশুর হাটের পাশেই কোরবানির ঈদে জমে উঠে অস্থায়ী পশুর হাটও। সেখানে প্রধান ফটকের সামনেই ইট-বালুর ব্যবসা করেন মো. বুদ্দু মিয়া। তিনি বলেন, ইট বালুর ব্যবসা গুটাইছি। এখন কোরবানির সময়। শেড বানাইছি। ঈদের ১০ দিন এ ব্যবসাই করব। অস্থায়ী হাটের শেড বহুদূর পর্যন্ত গেছে। কিন্তু এখনো হাট জমেনি। গরু-ছাগল আসতেছে, কিন্তু ক্রেতা নেই।

এটিভি বাংলা/তিষা


Posted

in

,

by

Tags:

Comments

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *