বিশ্বকাপের টিকেট পেল শ্রীলঙ্কা

স্পোর্টস ডেস্ক :
শ্রীলঙ্কা যে আসন্ন ওয়ানডে বিশ্বকাপের মূল পর্বে খেলতে যাচ্ছে তা ধারণা করা গিয়েছিল আরও দুদিন আগেই। বাকি ছিল শুধু আনুষ্ঠানিকতা। এবার সেই কাজটা জিম্বাবুয়েকে হারিয়ে করল লঙ্কানরা। দাপুটে জয়ে বাছাই পর্ব থেকে সবার আগে মূল পর্ব নিশ্চিত করল ১৯৯৬ সালের বিশ্বকাপজয়ীরা।
আজ রোববার (২ জুলাই) জিম্বাবুয়ের বুলাওয়ের কুইন্স স্পোর্টস ক্লাবে টস হেরে আগে ব্যাটিংয়ে নেমে সব উইকেট হারিয়ে স্কোরবোর্ডে ১৬৫ রানের বেশি তুলতে পারেনি জিম্বাবুয়ে। জবাবে মাত্র ১ উইকেট হারিয়ে অনায়াসে লক্ষ্যে পৌঁছে যায় লঙ্কানরা। তুলে নেয় ৯ উইকেটের দাপুটে জয়।

আগে ব্যাটিংয়ে নেমে শ্রীলঙ্কান বোলারদের বোলিং তোপে পড়ে জিম্বাবুয়ের ব্যাটাররা। দলীয় ২ রানের মাথায় প্রথম উইকেট হারায় জিম্বাবুয়ে। রানের খাতা না খুলেই সাজঘরে ফেরেন ওপেনার জয়লর্ড গাম্বি। তার বিদায়ে চাপ সামাল দেওয়ার আগেই ফের উইকেট হারায় জিম্বাবুয়ে। দলীয় ৮ রানের সময় আউট হন ওয়েসলি মাধেভেরে। ৫ বলে মাত্র ১ রান করে আউট হন এই ব্যাটার।

শুরুতেই দুই উইকেট হারিয়ে চাপে পড়া জিম্বাবুয়ে ফের চাপে পড়ে দলীয় ৩০ রানে ক্রেগ এরভাইনের বিদায়ে। ১৩ বলে ১৪ রান করে আউট হন এই ব্যাটার। এরপর অবশ্য শন উইলিয়ামস ও সিকান্দার রাজার ব্যাটে ভর করে ভালো জবাব দেয় জিম্বাবুয়ে। গড়ে তুলে ৬৮ রানের জুটি।

তবে দলীয় ৯৮ রানে রাজা বিদায়ে ফের ধাক্কা খায় জিম্বাবুয়ে। ৫১ বলে ৩১ রান আসে এই ডানহাতি ব্যাটারের ব্যাট থেকে। এরপর নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারিয়ে শেষমেশ স্কোরবোর্ডে ১৬৫ রানের বেশি তুলতে পারেনি জিম্বাবুয়ে। শ্রীলঙ্কার হয়ে থিকশানা চারটি ও মধুশঙ্কা তিনটি করে উইকেট নেন।

১৬৬ রানের সহজ লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে দারুণ শুরু করেন দুই লঙ্কান ওপেনার পাথুম নিশানকা ও দিমুথ করুনারত্নে। এই দুই ব্যাটার ঝড়ো ব্যাটিংয়ে গড়ে তোলেন ১০৩ রানের উদ্বোধনী জুটি। মুলত এই জুটিতেই জয়ের ভিত গড়ে ফেলে শ্রীলঙ্কা। বাকি কাজটা সারতে খুব একটা কষ্ট হয়নি নিশানকা-মেন্ডিসদের। ১০২ বলে ১০১ রানের অনবদ্য সেঞ্চুরিতে দলকে জিতিয়ে মাঠ ছাড়েন নিশানকা। এই জয়ের সৌজন্যে ৮ পয়েন্ট নিয়ে সবার আগে বাছাই থেকে ওয়ানডে বিশ্বকাপের টিকেট পেল শ্রীলঙ্কা। ৬ পয়েন্ট নিয়ে নিজেদের শেষ ম্যাচের অপেক্ষায় থাকতে হচ্ছে স্বাগতিক জিম্বাবুয়েকে।

এটিভি বাংলা / হৃদয়


Posted

in

by

Tags:

Comments

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *